দেশের প্রথম অভিনেতা হিসেবে নিশো’র নতুন মাইলফলক

দেশের প্রথম নাট্যাভিনেতা হিসেবে আবারো নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছেন টিভি পর্দার জনপ্রিয় তারকা আফরান নিশো। তিনিই প্রথম অভিনেতা যার ২৫টি নাটক প্রথম কোটি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রথম ৫টি ও ১৫টি কোটি ভিউয়ের মাইলফলকও ছিলো তার দখলে।

কোটি ভিউ স্পর্শ করা ২৫টি নাটকের মধ্যে রয়েছে- বুকের বা পাশে, এক্স গার্লফ্রেন্ড, টম এন্ড জেরি, শিল্পী, সহজ সরল ছেলেটা, রাধুনী, লাভলী ওয়াইফ, শেষটা সুন্দর, ছেলেটা বেয়াদব, সাইন্সের মেয়ে আর্টসের ছেলে, দ্য ইন্ড, এপয়েন্টমেন্ট লেটার, ভাই প্রচুর দাওয়াত খায়, একবার বলো ভালোবাসি, আমার বউ, বউ, মি এন্ড ইউ, আনএক্সপেক্টেড স্টোরি, অনলি মি, মোবাইল চোর, ফটো ফ্রেম, ভালোবাসা মিথ্যে, এক্স গার্লফ্রেন্ড, ফ্লাট বি টু এবং বি এফ পাস।

এমন সাফল্যে আফরান নিশো বলেন, ‘এই ধরণের সাফল্য তো অবশ্যই ভালো লাগে। দর্শকরা কাজগুলোকে পছন্দ করে, ভালোবাসা প্রকাশ করে; যার কারণে আমাদের অর্জনের পাল্লায় এগুলো যোগ হয়। এতে করে নিজের মধ্যে তখন কাজের স্পৃহাটা আরও অনেক বেশি বেড়ে যায়। সত্যি বলতে, এই সাফল্যগুলো আমাকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে। এ কৃতিত্ব আসলে প্রতিটা টিমের সঙ্গে যুক্ত থাকা সকলের। এ কৃতিত্ব দর্শকদের। তারা এতোটা সাপোর্ট ও ভালোবাসা না দিলে হয়তো আমি আজকে এ অবস্থানে আসতে পারতাম না। এরজন্য আমার সকল ভক্ত অনুরাগী ও দর্শকদের জন্য মন থেকে ভালোবাসা জানাতে চাই। ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার সহকর্মী ও পরিচালকদের।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এই ডাটাগুলো পাই দর্শকদের কাছ থেকেই, কাজগুলো কত ভিউস হলো। আমি সবসময়ই বলি, ভিউস মানে হচ্ছে একটা কাজ কতজন মানুষ দেখলো বা জনপ্রিয়তা পেলো। এই ভিউসের সাথে কিন্তু মানের কোনো সম্পর্ক নেই। যেই কাজগুলো বেশি জনপ্রিয়তা পায়, সেগুলোরই ভিউ বেশি হয়। একটা কাজের মানদণ্ড কখনোই ভিউ দিয়ে কাউন্ট করা যায় না।’

এটাও দেখা যায় যে, অনেক ভালো কাজেরই ভিউ হয়না। মানুষের নাটক দেখা নির্ভর করে তাদের মুডের ওপর। কখনো হাসির নাটক ভালো লাগে, কখনো সিরিয়াস কাজ পছন্দ করে দেখতে। এটাও কিন্তু একটা ডাটা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমি ভিউ এবং রিভিউ দুইটাই দেখি।

একজন শিল্পীর গুণগত মান এবং জনপ্রিয়তা দুটোই নির্ভর করে ভিউ এবং রিভিউয়ের উপর। এটা একে অপরের পরিপূরক, একটা আরেকটিকে প্লাস করে। একজন শিল্পীকে গুণগত মান বজায় রেখেও কাজ করতে হয়, আবার ভিউয়ের জন্যও; আবার গণমানুষের জন্যেও কিছু কাজ করতে হয়। সবকিছু মিলিয়ে কাজ করাটাই কিন্তু একজন শিল্পীর কর্তব্য।’

প্রসঙ্গত, আসছে ঈদকে ঘিরে বেশ কিছু নাটকের শুটিং শেষ করেছেন নিশো। এরপর গত ২৮ জুন থেকে নিজেকে ঘরবন্দী করেছেন এ অভিনেতা। লকডাউন শেষ হলে আবারও ফিরবেন কাজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *