রাতে ঘুমোতে গেলেই ভয়ানক স্বপ্ন দেখেন? জানেন কী কী কারণ?

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যান? যদি একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস না থাকে তবে তাহলে Nightmares এর মতো সমস্যা হতেই পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এমন সমস্যা থাকলে অবশ্যই অ্যালকোহল, সিগারেট, ক্যাফেন থেকে দূরে থাকা উচিত। একটি Healthy Lifestyle বজায় রাখার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা। দিনের শুরুতে হালকা এক্সারসাইজ করুন। ঘুমোনোর ঠিক আগে টিভি দেখা, মুভি দেখা বা ভিডিওগেম খেলা বন্ধ করুন।যদি এ সব করার পরেও আপনি ভয়ানক স্বপ্ন দেখতে থাকেন তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঘুমের ঠিক আগে অনেকেরই বই পড়া বা সিনেমা দেখার অভ্য়েস রয়েছে। কখনও ভয়ের উদ্রেক করে এমন বই পড়লে বা সিনেমা দেখলে সেইরকম বিষয়ের স্বপ্ন দেখতে পারেন। ঘুমের ঠিক আগে এই রকম সিনেমা বা বই ব্রেনে প্রভাব ফেলে, কিছু ভিডিও গেম বা টিভি শো-এরও একই ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা যেতে পারে।

যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা রয়েছে তাঁরা ভয়ানক স্বপ্ন বেশি দেখেন। অ্যাপনিয়ার ফলে তৈরি হওয়া মানসিক সমস্যার কারণেই এমনটা হয়। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞদের মতে রাতের খাবার খাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পরেই ঘুমোতে যাওয়া উচিত। কারণ শোয়ার ঠিক আগেই খাওয়ার ফলে মেটাবলিজম দ্রুত হয় এবং ব্রেন বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। শোয়া এবং খাওয়ার মধ্যের ব্যবধান বাড়ালে এ ঘটনা কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, খারাপ বা ভয়ানক স্বপ্ন দেখতে পারেন। ঘুমের সময়ের পরিবর্তন হলেও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। নিয়মিত এরকম সমস্য়া হলে চিকৎসকের পরামর্শ নিন।

হঠাৎ কোনও মানসিক আঘাত পেলে বা অতীতের কোনও ঘটনা যেমন শারীরিক হেনস্থা, সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট, ধর্ষণ বা দুর্ঘটনার ফলে কিছু মানুষের পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস জিসঅর্ডার বা PTSD-র সমস্যা হতে পারে। তাঁদের মধ্য়ে Nightmares এর সমস্যা থাকে। তাঁদের অবশ্যই চিকৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কাজের বিষয়ে অতির্কিত চিন্তা ভয়ানক স্বপ্নের কারণ হতে পারে। স্ট্রেস থেকে মানসিক চাপ তৈরি হয় যার ফলে ভয়ানক স্বপ্ন দেখতে পারেন। কোনও প্রিয়জন যদি দূরে চলে যান বা তিনি যদি মারা গিয়ে থাকেন সে ক্ষেত্রেও এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *