পারিবারিক চাপেই কোহলির পারফরম্যান্সের অধঃপতন, দাবি শোয়েবের

লম্বা সময় ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারছেন না বিরাট কোহলি। প্রায়শই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও বছর দুয়েক ধরে কোহলির ব্যাটে নেই সেঞ্চুরি। চলমান দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও দেখা মিলেছে একই চিত্র।

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দুটি হাফ সেঞ্চুরি করলেও নেই সেঞ্চুরি। শোয়েব আখতার মনে করেন, বিয়ের চাপেই কোহলির পারফরম্যান্সের দৈন্যদশা। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মাকে বিয়ে করেন কোহলি।

ভারতের সাবেক অধিনায়কের জায়গায় থাকলে তখন বিয়ে করতেন না বলে জানিয়েছেন শোয়েব। পাকিস্তানের সাবেক এই গতিতারকা বলেন, ‘কোহলির জায়গায় আমি থাকলে বিয়ে করতাম না। আমি স্রেফ রান করেই আনন্দ করতাম ম্যাচের পর ম্যাচ। কারণ এই ১০-১২ বছর জীবনে আর ফিরে আসবে না।’

‘বিয়ে করা যে ভুল, সেটা মোটেই বলছি না। ভারতের হয়ে খেলার সময় দলকেই সবসময় প্রাধান্য দেয়া উচিত। কোহলিকে সমর্থকরা তুমুল ভালবাসে। টানা ১০-২০ বছর যাতে সমর্থকদের ভালবাসা ও পেতে পারে, সেটাই নিশ্চিত করা উচিত ছিল তার।’

মাঠ ও মাঠের বাইরে পেশাদার ক্রিকেটারদের বরাবরই চাপ সামলাতে হয়। যে কারণে বেড় তারকারা চাপ সামলাতে পটু। তবে পেশাদার একজন খেলোয়াড়ের জীবনে আদৌতে বিয়ের চাপ পড়ে কিনা এমন প্রশ্নে ছুঁড়ে দেয়া হলে শোয়েব বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই! সন্তান-পরিবার ইত্যাদি মিলিয়ে একটা চাপ তো থাকেই।’

‘দায়িত্ব যত বাড়ে, চাপও তত বাড়ে। ক্রিকেটারদের ১৪-১৫ বছরের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা থাকা উচিত এবং এর মধ্যে ৫-৬ বছর আপনি থাকবেন সাফল্যের একদম চূড়ায়। বিরাট কোহলির সেসব দিন গেছে, এখন তাকে লড়াই করতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.