পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারিয়ে ফেলে প্লে অফে এক পা দিয়ে রাখলো দিল্লি ক্যাপিটালস

আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দাপট দেখালেন দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলাররা। বাঁচা-মরার ম্যাচে বোলারদের নৈপূণ্যে পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরো খানিকটা এগিয়ে গেল দিল্লি। গতকালের টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে পাঞ্জাবকে ১৫৯ রানের টার্গেটে দিল্লি ক্যাপিটালস।

জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে পাঞ্জাব। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। পরবর্তী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে জিততে পারলে প্লে অফ নিশ্চিত হবে তাদের।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই শূন্য রানের মাথায় ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করে বড় ধাক্কা দেন লিয়াম লিভিংস্টোন। কিন্তু তারপর আক্রমণ শুরু করেন সরফরাজ খান ও মিচেল মার্শ। পাওয়ার প্লেতে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তারা। বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল সরফরাজকে। মাত্র ১৬ বলে ৩২ রান করে আউট হন তিনি।

মার্শ আগের ম্যাচের ছন্দে খেললেও অন্য প্রান্তে থাকা ললিত যাদব একটু ধীরে খেলছিলেন। ফলে রান তোলার গতি কিছুটা কমে যায়। বাকি ব্যাটাররা কেউ বড় রান পাননি। ৬৩ রান করে মার্শ আউট হলে ২০ ওভারে দিল্লির রান দাঁড়ায় ১৫৯-এ। পাঞ্জাবের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন লিভিংস্টোন ও অর্শদীপ সিংহ।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করেছিলেন পাঞ্জাবের দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও জনি বেয়ারস্টো। পাওয়ার প্লেতে দ্রুত রান করছিলেন তারাও। ২৮ রানের মাথায় বেয়ারস্টোকে আউট করে পাঞ্জাবকে প্রথম ধাক্কা দেন আনরিখ নোকিয়া। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পাঞ্জাবকে জোড়া ধাক্কা দেন শার্দুল। ভানুকা রাজাপাকসে ও শিখরকে আউট করেন তিনি।

দিল্লির দুই স্পিনার অক্ষর ও কুলদীপ বলে আসতেই চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব। পর পর আউট হন অধিনায়ক মায়াঙ্ক ও লিভিংস্টোন। মাত্র ৬৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় পাঞ্জাবের। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। অনেক চেষ্টা করেন জীতেশ শর্মা ও রাহুল চাহার। কিন্তু জয় আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১৪২ রানে শেষ হয় পাঞ্জাবের ইনিংস। চার উইকেট নেন শার্দুল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.