এইমাত্র পাওয়াঃ কারা বাদ পরবে আর কারা থাকবে সেইটা ঠিক করা হবে কখন জানালেন অধিনায়ক সাকিব

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিক উইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় ব্যাকফুটে অতিথিরা। দলে দুটো পরিবর্তন এনে ভাগ্য বদলের চেষ্টায় ডমিঙ্গো বাহিনী। তবে ঠিক কারা বাদ পড়বেন সেন্ট লুসিয়া

টেস্টে সে সম্পর্কে গণমাধ্যমকে সরাসরি বলতে চান না সাকিব আল হাসান। জানিয়েছেন, ম্যাচের আগের দিন টিম মিটিয়ে ঠিক হবে একাদশের ভাগ্য। ড্যারেন স্যামি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

ব্যাটিং ব্যর্থতা, এই এক শব্দ থেকে মুক্তি পাবার উপায় খুঁজছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে টপ অর্ডার ব্যাটারদের দৈন্যদশা, অধিনায়কের জন্য এখন রীতিমতো মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। টেস্ট শুরুর আগে তাই, একাদশ আর ব্যাটিং অর্ডার নিয়েই বেশি ভাবতে হচ্ছে সাকিব আল হাসানকে।

বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্দাদশার প্রভাবে, দলে নেই পর্যাপ্ত ক্রিকেটার। তাই চাইলেও খুব বেশি পরিবর্তনের দিকে হাঁটার সুযোগ নেই টিম বাংলাদেশের সামনে। তবে, তিন বা চারে একটা পরিবর্তন হয়ে বিজয় যে আসছেন তা অবধারিত। ভাঙন ধরতে পারে পেস ট্রায়োতেও। রঙিন পোশাকে পুরোপুরি ফিট ফিজকে পেতে সেন্ট লুসিয়াতে নামতে পারেন এসওএস পেয়ে উইন্ডিজে যাওয়া শরিফুল ইসলাম।

যদিও সাকিব বিষয়টি এখনই খোলস মুক্ত করতে চান না এখনই। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ট্রেনিং সেশন শেষে আমরা একটা মিটিং করব। সেখানে সিদ্ধান্ত হবে কারা খেলবেন, আর কারা খেলবেন না। সেভাবে আমরা প্রস্তুতি নিব। বিষয়টা টিমের মধ্যেই থাকবে। আমার মনে হয়না বাইরে জানানোর দরকার আছে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে জানানো হবে।’

সেন্ট লুসিয়া পৌছে ইতোমধ্যে পিচের কন্ডিশন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। উইকেট, কন্ডিশনের সঙ্গে প্রতিপক্ষের পেস অ্যাটাক নিয়েও আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে

টিম ম্যানেজমেন্টকে। যদিও, স্কিডি উইকেটে রান বেশি আসবে বলে মনে করেন সাকিব। তবে, দিন শেষে নিজেদের ফিরে পাবার একটা সুযোগ হিসেবেই দেখতে চান ম্যাচটাকে।

তিনি বলেন, ‘এই ধরণের পিচে রান খুব বেশি আসে। অ্যান্টিগা থেকে প্রথম দিনেই অনেক ভালো পিচ হবে ব্যাটা করার জন্য। পেস একটু বাউন্স থাকবে হয়তো। তবে খুব বেশি টার্ন থাকবে বলে মনে হয়না। তবে মাঠে নামার আগে আসলে পিচ সম্পর্কে পুরোপুরি বলা যাচ্ছে না। মাঠে নামার ২০-৩০ মিনিট পরই জানা যাবে কন্ডিশন কেমন।’

এদিকে অতিথিরা নিজেদের সৈন্য সামন্ত্য গুছিয়ে নিচ্ছে ধীরেসুস্থে। অন্যদিকে আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে আছে স্বাগতিক শিবির। অ্যান্টিগার মতোই গতি আর সুইং দিয়ে নাস্তানাবুদ করার লক্ষ্য ব্রাথওয়েটের।

উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেগ ব্রাথওয়েট বলেন, ‘এই স্টেডিয়ামে আমাদের রেকর্ড অতোটা ভালো না। কিন্তু আমাদের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। আমরা জানি এই উইকেট কিভাবে ব্যবহার করতে হবে। আমরা এখানেও একইভাবে খেলবো। গতি আর সুইং হবে আমাদের মূল অস্ত্র।

ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে বড় ফ্যাক্টর হয়ে যেতে পারে কয়েন ভাগ্য। পরে ব্যাট করা দল যে মাত্র একবার জিতেছে এই মাঠে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.